Webdesk:
বলাই যায় ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ প্রভাতী সংগীত সোনার আগেই বঙ্গবাসী শুনে নিলেন কথা ও উপকথার সিম্ফানি। শনিবার উঃ কলকাতার তিনটি বড়ো পুজোর উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী ব্যাখ্যা দিলেন যে তিনি পুজোর উদ্বোধন করেন নি, করেছেন পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধন। ব্যাস বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুকে আটকানো যায় নি। বিরোধী দলনেতা শনিবার সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ করেন, ‘‘পিতৃপক্ষে পুজো উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী হিন্দু ধর্মের রীতি ভেঙেছেন।’’
কাল বিলম্ব না করে মমতার হয়ে দ্রুত ব্যাট হাতে ময়দানে নেমে কুনাল ঘোষ চার দফা যুক্তি তুলে ধরেন। যথা –
১) মুখ্যমন্ত্রী পিতৃপক্ষে আদৌ কোনও পুজো উদ্বোধন করছেন না। উনি একাধিক মণ্ডপে যাচ্ছেন, সেখানে উৎসবের সূচনা করছেন।
২) মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর তিন হাজারের বেশি পুজো উদ্বোধন করতে হচ্ছে। এটা যে কোনও উদ্বোধক তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সর্বকালীন রেকর্ড। এর মধ্যে কলকাতার কিছু পুজোতে সশরীরে পৌঁছে প্রদীপ জ্বালিয়ে মণ্ডপের উদ্বোধন করছেন তিনি।
৩) একাধিক পঞ্জিকাতে অনেক আগেই পুজো শুরুর কথা রয়েছে। পুরুলিয়ার গড়পঞ্চকোট রাজপরিবারের ১৬দিন আগেই পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। চলবে দশমী পর্যন্ত।
৪) মহালয়ার দিন ভোরবেলায় স্বর্গীয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাষুরমর্দিনী অনুষ্ঠানের সম্প্রচার পিতৃপক্ষেই করা হয়।
চলছে তত্ত্ব ও তথ্যর বাকবিতন্ডা, আর রসিক বাঙালি তা শুনে হাসছেন।
![]()
















Leave a Reply