Webdesk:
শিক্ষক পিটিয়ে খবরের শিরোনামে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য। তিনি হয়ে উঠলেন দ্বিতীয় আরাবুল ইসলাম। কাকদ্বীপের বীরেন্দ্র বিদ্যালয়ের ঘটনায় অভিযুক্তর শাস্তির দাবি জানাল অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস (ASFHM)। অভিযুক্ত স্কুলের পরিচালক সমিতির সভাপতি বলেই জানা গেছে। একইসঙ্গে তিনি তৃণমূল পঞ্চায়েতেরও সদস্য। অভিযোগ, ওই শিক্ষককে তাড়া করে মারতে মারতে স্কুল থেকে এসপিডিও অফিস পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ASFHM। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি এক বিবৃতিতে বলেন, “এটি একজন শিক্ষককে তাঁর কর্মস্থলে আক্রমণ করার জঘন্য ঘটনা। আমরা দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত দোষীদের শাস্তি দিয়ে প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।”তাদের কথায়, রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি ও অসামাজিক উপাদান শিক্ষাঙ্গনে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে। তারা শিক্ষামন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছে, এমন ব্যক্তিদের স্কুল-কলেজ থেকে দূরে রাখার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
![]()
















Leave a Reply