Webdesk :
বিরিয়ানি খেতে কলকাতার পাশাপাশি শহরতলিতেও ঢুঁ মেরেছিল পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে ধৃত হরিয়ানার ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা। পার্ক সার্কাসের আরসালান ছাড়াও ব্যারাকপুরের বিখ্যাত দাদা-বৌদির বিরিয়ানির দোকানে বিরিয়ানি খেতে এসেছিলেন জ্যোতি মালহোত্রা। ইতিমধ্যেই ইউটিউবারের একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জ্যোতিকে বিরিয়ানির দোকানগুলিতে নিয়েছিলেন বাংলার ইউটিউবার সৌমিত ভট্টাচার্য। প্রসঙ্গত, দেশের সবচেয়ে পুরনো সেনা ক্যান্টনমেন্ট এই ব্যারাকপুরে। তাছাড়া ব্যারাকপুরে রয়েছেন এয়ারফোর্স স্টেশন। কাছেপিটে পলতা ‘হ্যাল’ থেকে শুরু করে ইছাপুর রাইফেল এবং মেটাল কারখানা। যদিও পাক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা ধরা পড়তেই নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার জগদ্দলের মজদুর ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং বিস্ফোরক দাবি করেন। তিনি বলেন, ব্যারাকপুরে বিরিয়ানি খেতে আসা জ্যোতি মালহোত্রার একটা বাহানা ছিল। বিরিয়ানি খাওয়ার আড়ালে ব্যারাকপুর আর্মি ক্যান্টনমেন্ট, এয়ার বেস, হ্যাল-সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোর ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করা তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল। প্রাক্তন সাংসদের আরও দাবি, ব্যারাকপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সেন্টারগুলো নজরদারি করে গেছে ওই মহিলা ইউটিউবারের সঙ্গে আসা লোকজন। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে এদেশে আগতরা ভোটার কার্ড থেকে শুরু করে আধার কার্ড ও রেশন কার্ড বানিয়ে নিচ্ছেন। পঞ্চায়েত প্রধান কিংবা কাউন্সিলারদের ‘রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট’ নিয়ে ভিন দেশ থেকে আসা লোকজন বিভিন্ন নথি বানিয়ে নিচ্ছেন। তাই দেশের নিরাপত্তার জন্য পঞ্চায়েত প্রধান কিংবা কাউন্সিলারদের এই অধিকার কেড়ে নেওয়া উচিত। পঞ্চায়েত প্রধান কিংবা কাউন্সিলারদের এই অধিকার কেড়ে নেওয়ার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি চিঠিও পাঠাবেন।
![]()
















Leave a Reply