রিষড়ার কালিপদ দত্তর ‘ঢপের চপ’ রমরমিয়ে চলছে 

Spread the love

Webdesk :

 

‘ঢপ’,’বাতেলা’ ইত্যাদি শব্দগুলো বাংলা অভিধানে নেই, এইগুলোকে অপভাষা বলা হয়। কিন্তু হুগলী জেলার রিষড়ার কালিপদ বিশ্বাস এই শব্দগুলোকে নেন আভিধানিক করে তুললেন। ঢপের চপ,বাতেলা ফুলুরি খাইয়ে দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছেন কালিপদ দত্ত। রিষড়া হরিসভা এলাকায় রীতিমতো বিখ্যাত তার ঢপের চপ,এখন ভাইরাল। রাত আটটার পর এলে আর ঢপের চপ পাওয়া যায়না এতটাই চাহিদা মৌরি, কালোজিরে, গোলমরিচের মশলা দিয়ে তৈরী এই চপ সুস্বাদু বলছেন ক্রেতারা।

চপের দোকানের এমন নাম কেন? কালিপদ বলেন,এমন অনেক কথা অনেক খবর বন্ধুদের দিতাম যা বিশ্বাস করত না বন্ধুরা। বলত,’ ঢপের চপ দিস না তো’। ‘বাতেলা মারিস না’।সেই থেকে মাথায় আসে চপের দোকান করব আর তার নাম দেব ঢপের চপ। বছর দশেক দর্জির কাজ করেন কালিপদ। খুব ভালো জামা প্যান্ট স্যুট বানাতেন।এখন আর টেলারিং এর কারবার চলে না।

 

শেষে এখন দিয়েছেন চেপের দোকান। ১৬ সাল থেকে চলছে তার এই দোকান। রাস্তার পাশে একটা গুমটিতে তার দোকান সন্ধ্যার পর জমজমাট হয়। খাঁটি সরষের তেলে ভাজা, ঢপের চপ, বাতেলা ফুলুরি, ডুবন্ত আলু বড়া, ঝুলন্ত বেগুনি, সুগার ফ্রি ভেজিটেবল চপ, নিতে লাইন পড়ে। কালিপদর কথায়, খুব গরম পড়েছে। এখন অনেকেই পান্তা ভাত খায়। সন্ধ্যায় তার দোকানের ফুলুরির সঙ্গে জলঢালা ভাত খুবই উপাদেয়। চপের দোকান করে যদিও বাড়ি গাড়ি করতে পারেননি কালিপদ।তবে তার আক্ষেপ নেই। এই তেলেভাজার দোকান চালিয়েই স্ত্রী ছেলে নিয়ে দিব্যি সংসার করছেন তিনি।ফুটপাতের দোকান যদি তুলে দেয় তাই আপাতত একটা স্থায়ী দোকান নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার।

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *