উৎকর্ষ বাংলা, ওয়েবডেস্ক:
এতদিন যথেষ্ট বাজার গরম করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার নিজের কথাকে ঘুরিয়ে দিলেন। অনেকটাই ভয় পেয়েছেন বোঝাই যাচ্ছে। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কাছে হেরেছে ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে। আবার ভাবনীপুরেও ছাব্বিশ সালে বিজেপির প্রার্থীকে দিয়ে ওনাকে হারাব। উনি কম্পার্টমেন্টাল চিফ মিনিস্টার হিসাবে রয়েছেন। এরপরে ডাবল কমার্টমেন্টাল নেত্রী হিসাবে পরিচিত পাবে বাংলায় এক্স চিফ মিনিস্টার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” কিন্তু আগে কী বলেছিলেন? বলেছিলেন – ‘ভবানীপুরে মমতাকে হারাবো।’ কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না তৃণমূলও।
তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। উল্টে মমতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেন, “আমরা জানি ভাবনীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত বিধায়ক হিসাবে বিধায়ক হিসাবে বিধানসভায় পাঠাতে চলেছে ২০২৬ সালে। এবার কেউ ভবানীপুর নামটা দেখে যদি প্রচার পাওয়ার জন্য বলে ওখানে দাঁড়াব, হ্যান কারাঙ্গে, ত্যান কারঙ্গে, দিনের শেষ কুছ নাহি কারেঙ্গা! শেষে ওই হাল হয়েছে।” এখানেই না থেমে কটাক্ষের ধার আরও বাড়িয়ে বলেন, “আমরা প্রথম থেকে বলেছি ভবানীপুর নিয়ে কথা বলবেন না। ওখানে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে, চোখ ঝলসে যাবে। করবেন না এসব। শোনননি। এখন তো শোনা যাচ্ছে ব্যাকআউট!” স্বাভাবিক কারণেই মনে হচ্ছে কিছুটা ভয় পেয়েই শুভেন্দু ইউটার্ন নিলেন।
এখনো স্পষ্ট করলেন যে তিনি নিজে নয় অন্য কাউকে প্রার্থী করবেন। নন্দীগ্রামের থেকেও ভবানীপুর তাঁর কাছে জেতা সহজ। আগেই আবার এই দাবি করেছিলেন শুভেন্দু। তারপর থেকেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভাবনীপুরে দুই হেভিওয়েটের টক্কর ঘিরে চাপানউতোর ক্রমেই তীব্র হচ্ছিল।
**দেশ, বিশ্ব, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলাধুলা, জীবনধারা স্বাস্থ্য, আমাদের Facebook, Whatsapp চ্যানেলে সর্বশেষ প্রযুক্তির খবর, আপডেট এবং ভিডিও পেতে, সাবস্ক্রাইব করুন।
![]()
















Leave a Reply